টাংগাইল শাড়ী কি ভাবে তৌরি হয়? টাংগাইল শাড়ীর গোপন রহস্য

0
897

 

টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি ,টাঙ্গাইল শাড়ির দাম, তাঁতের শাড়ির ডিজাইন,সুতি শাড়ির ডিজাইন

tangail tat sharee

টাংগাইল শাড়ী কি ভাবে তৌরি হয়? টাংগাইল শাড়ীর গোপন রহস্য

“নদী চর খাল বিল গজারি বন,

টাঙ্গাইলের শাড়ি তার গর্বের ধন”

টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি ,টাঙ্গাইল শাড়ির দাম,

টাঙ্গাইলের শাড়ির কথা বলতে গেলে আমাদের চলে যেতে হবে টাঙ্গাইলে,  মেইন টাঙ্গাইল শহর থেকে একটু ভিতরে যেতে হবে গ্রামের আঁকাবাঁকা রাস্তায়, শহর থেকে প্রায় 20 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বল্লা রামপুর নামে দুটি গ্রাম আছে, and এখানেই তৈরি হয় টাঙ্গাইলের বিখ্যাত শাড়িগুলো। this শাড়িগুলো সম্পূর্ণ হাতে তৈরি করা হয়।

প্রথমে তাঁতিরা অর্থাৎ যারা কাপড়  তৈরি করে তাদের সুতা কিনতে হয় মহাজনদের কাছ থেকে ।সুতা কিনে প্রথমে তারা সেই সুতা বিভিন্ন কালারের রং করে নেয় অর্থাৎ কাপড়ের ডিজাইন অনুযায়ী বিভিন্ন রং করতে হয় রং করা হয়ে গেলে এগুলোকে পার্টি করতে হয়,

যার আরেক নাম মারি করণ মারি করণ কাপড়ে মাড় দেয়া হলে সে কাপড়টা অনেক মজবুত হয় দেখতেও ভালো লাগে মার দেওয়ার কাজটি করতে হয় দক্ষতার হাতে  মার দেওয়া হলে এটিকে রোদে শুকাতে হয়। রোদে শুকানো হয়ে গেলে এগুলোকে ছোট ছোট ভবিনে সুতা গুলো ভরে নিতে হয়,

সুতা গোলো ভরে দেওয়ার পর যেতে হবে ১২/১৩ হাত বড় একটি ডামে , সেই ডামে সুতা গুলোকে পেঁচিয়ে নিতে হয়। যারা এই সুতা প্যাচানোর কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ডাম মাস্টার ।

এরপর একটা ডিমের মধ্যে জুতাগুলো পেঁচিয়ে নিতে হয় and এটাকেই বলে তানা তারপর শেষ হলে পুরা ভিম  কে নিয়ে যেতে হয় সানা বউ করতে। সানা বড় কাজটি করতে হয় দুজনে মিলে এখানে যত সুতা থাকবে সেই সুতা গুলো বও এর ভিতর দিয়ে দিতে হয় সানা বওয়ের কাজ শেষ হয়ে গেলে এটা চলে যাবে সরাসরি  তাতে। তাতে যাওয়ার পর শুরু হবে তাক জোড়ার কাজ একজন মাস্টার এই তার জোড়ার কাজে অংশ নেয় এই কাজটি করতে পার একদিন লেগে যায় ,

সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়ে গেলে সেই রঙিন সুতা গুলো একটি কাপড় তৈরীর পর্যায়ে চলে আসে ।এবার দরকার হবে একটি তাঁতির অর্থাৎ যে শাড়ি বোনায় এদেরকে বলা হয় কারিগর।

কাপড়ের কারিগর একজন মানুষ কয়টি শাড়ী বুনতে পারে সেটা নির্ভর করে  ডিজাইন এর উপর ভিত্তি করে একটি দুটি বা তিনটি শাড়ি পর্যন্ত বোনা যায় but কম মজুরির শাড়িগুলো অর্থাৎ প্লেন শাড়িগুলো একটি কারিগর দিনে 3pis অনায়াসেই বুনতে পারে, this

কিন্তু হাতের কাজের শাড়ি this শাড়িগুলো বলতে একজন কারিগর এক থেকে দুদিন লাগে একটি কাপড় বুনতে এগুলো সবই মজুরির উপর নির্ভর করে 100 টাকা মজুরির কাপড় দিনে দুই থেকে তিনটা বোনা যায় , আড়াইশো থেকে 300 টাকা মজুরির কাপড় দিনে একটা বোঝা যায় আর, 5 থেকে 700 টাকা মজুরির কাপড় দুই দিন লাগে একটি বোনকে।

এবার কাপড় বোনার কাজ শেষ হলে কারিগর কাপড় থেকে মালিককে পৌঁছে দেয় এরপর মালিক সেই কাপড় ভালো  করে ইস্ত্রি করার পর কাপড় গুলো নিয়ে যাওয়া হয় হাটে।

বল্লা and রামপুর এর কাপড় গুলো সাধারণত করোটিয়া হাট and বাজিতপুর হাতে বিক্রি করা হয়।but  বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একটি হাটের মধ্যে অন্যতম সারা বাংলাদেশ থেকে এখানে মহাজনরা কাপড় কিনতে আসে, আর পাটিরাও  এই হাটে যায় বিক্রি করার জন্য।

বর্তমান বাজারে এই তাঁতশিল্প টা ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে চলে যাচ্ছে , এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁতিরা তাদের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না, but ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে তারা তাদের পেশা পরিবর্তন করছে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে বিদেশ পাড়ি দিচ্ছে, এভাবেই এই শিল্পটি ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে চলে যাচ্ছে ,

এমত অবস্থায় সরকার যদি এদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে এই শিল্পটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে এর সাথে জড়িত so সবাই সরকারের কাছে সহযোগিতা চায় যাতে তারা এই শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।

বাংলাদেশ শাড়ি ডিজাইন আর টেকসই দিক থেকে অনন্য এর রং পাকা যার কারণে সব রমণীর আই এই শাড়ি পছন্দ করে।

টাঙ্গাইলের শাড়ি বিদেশিদের কাছেও বাংলাদেশের নাম বহন করে।

টাংগাইল শাড়ী

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here